একটি অক্ষরে ছোঁয়াও, দেখো সেটা আম, বিড়াল বা ঘুড়ি হয়ে যায় — তারপর তার নাম শোনো বাংলা ও ইংরেজিতে। ছবিটা কখনো বদলায় না; বদলায় শুধু অক্ষর আর কণ্ঠ। এভাবেই শিশু শেখে, ভাষা মানে একই পৃথিবীর ভিন্ন ভিন্ন নাম।


একই আম। ইংরেজিতে Mango, বাংলায় আম।
প্রতিটি স্ক্রিনে ছবি, বড় বোতাম আর মিষ্টি কণ্ঠ। যে শিশু এখনো পড়তে পারে না, সে-ও একা সবটা ব্যবহার করতে পারে।
প্রতিটি অক্ষর একেকটা ছোট্ট প্রাণী। ছোঁয়াও: সে নিজের নাম বলে, ছবি হয়ে যায়, তারপর শব্দটা বলে।
১ থেকে ২০ পর্যন্ত গোনা। কণ্ঠ গুনতে গুনতে জিনিসগুলো একটা একটা করে হাজির হয়, তারপর সংখ্যাটা বলে।
আঙুল দিয়ে অক্ষর আর সংখ্যা লেখো, একটা একটা টানে, ঠিক ক্রমে। ভুল টান এমনিই মিলিয়ে যায়।
অক্ষর জিগস, ছায়া মেলাও আর বুদবুদ ফাটাও। একটা শেষ হলে নতুন ধাঁধা নিজে থেকেই আসে।
খেলে খেলে জমানো ২৪টি প্রাণীর স্টিকার। একটায় ছোঁয়াও, বাছাই করা ভাষায় তার নাম শোনো।
যেকোনো অক্ষরে গ্লোবে ছোঁয়াও, একই ছবির নাম শোনো অ্যাপের জানা প্রতিটি ভাষায়।
বেশিরভাগ অ্যাপ ইংরেজি অক্ষর শেখায় এক সেট ছবি দিয়ে, বাংলা অক্ষর আরেক সেট দিয়ে। Letter Zoo-তে পৃথিবী একটাই: M-এর যে আম, আ-এর আমও ঠিক সেটাই। কাঠের সাইনবোর্ডের পতাকা বদলাও — অক্ষর আর কণ্ঠ ছাড়া কিছুই বদলাবে না।



হোম স্ক্রিনের নিচে ডান কোণের তালায় ছোঁয়ান আর বড়দের প্রশ্নের উত্তর দিন (কথায় লেখা একটা ছোট গুণ)। সেখানে ভাষা বাছাই, দৈনিক খেলার সময়সীমা, স্টিকার রিসেট আর গোপনীয়তা নীতি পাবেন।
হোম স্ক্রিনের ওপরে কাঠের সাইনবোর্ডের পতাকায় ছোঁয়ান। কোনো ভাষা শিশুর কাছ থেকে লুকাতে চাইলে মা-বাবার অংশে সেটা বন্ধ করে দিন।
মা-বাবার অংশে দৈনিক খেলার সময়-এর নিচে আজকের জন্য ১৫ মিনিট যোগ করুন ছোঁয়ান, বা সীমাটা বদলান। প্রতিদিন গোনা শূন্য থেকে শুরু হয়।
পাশের বোতামে ভলিউম বাড়ান, আর দেখুন কোনো ব্লুটুথ হেডফোন বা স্পিকার যুক্ত আছে কি না। ডিভাইস সাইলেন্টে থাকলেও কণ্ঠ বাজে।
না। আপডেটে সব থাকে। শুধু অ্যাপ মুছে ফেললে স্টিকার আর সেটিং মুছে যায়, কারণ সেগুলো ডিভাইসেই থাকে, আর কোথাও নয়।
অবশ্যই। অক্ষরটা আর যা শুনেছেন, তা লিখে পাঠান ashik.nwu@gmail.com-এ। প্রতিটি বার্তা পড়া হয়।